গাইড

বাংলাদেশের শীর্ষ মেডিকেল কলেজ: তথ্য কী বলছে

মেডিকেল কলেজের উল্কা তালিকা এখনো নেই। ১১২ কলেজের বয়স, আসন, শয্যা, বিভাগ ও ভর্তি প্রতিযোগিতার তথ্য দেখুন।

বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোর জন্য উল্কার কোনো র‍্যাঙ্কিং তালিকা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তাই এই গাইডে এক কলেজকে অন্য কলেজের ওপরে বসানো হয়নি। তথ্য যা দেখায়, তা হলো খাতটির সামগ্রিক চেহারা। আমাদের ডেটাসেটে মেডিকেল কলেজ ১১২টি, এর ৪৪টি সরকারি ও ৬৮টি বেসরকারি। ঢাকা বিভাগেই আছে ৫২টি। কলেজগুলোর বয়স ও আকারে বড় পার্থক্য আছে। সাম্প্রতিক চারটি সেশনে সরকারি আসনপ্রতি আবেদনকারী ছিল ১৯.৩ থেকে ৩১.৭ জনের মধ্যে। এটিকে মানচিত্র হিসেবে পড়ুন, তারপর কোনো কলেজ বিবেচনায় থাকলে শেষের পরীক্ষাতালিকা দিয়ে যাচাই করুন।

মেডিকেল র‍্যাঙ্কিং এখানে কেন নেই

উল্কা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য Ulkaa Edu Rank 2027 প্রকাশ করে। এই সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে, ডেটা ২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। মেডিকেল কলেজের আলাদা কোনো তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সেটি আসবে প্রকাশিত পদ্ধতি অনুযায়ী, আর তখন এই গাইডও হালনাগাদ হবে।

ততদিন নিচের সংখ্যা দিয়ে কলেজগুলোকে সাজাতে গেলে নিজেদের তৈরি একটা পদ্ধতি চাপিয়ে দিতে হয়। আমরা তা করছি না। যে কলেজে আসন বা শয্যা বেশি, সেটি আকারে বড়। কিন্তু কোনো একজন শিক্ষার্থীর জন্য সেটিই সঠিক জায়গা, এমন কথা তা থেকে আসে না। এই গাইডের কোনো সংখ্যাকেই পাঠদানের মান নিয়ে রায় হিসেবে পড়বেন না।

মেডিকেল বিষয়ে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং কী বলে

বৈশ্বিক তালিকায় মেডিকেল কলেজ প্রায় আসেই না, কারণ ওই তালিকাগুলো মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সুনাম মাপে। তিনটি তথ্য জেনে রাখা কাজের।

দেশের বেশির ভাগ চিকিৎসক যে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলো থেকে তৈরি হন, QS বা THE-তে তাদের আলাদা সারি নেই। এর অর্থ ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু বলা নয়। ওই তালিকাগুলো কী নমুনা ধরে, এটুকুই তা থেকে বোঝা যায়।

কলেজ কয়টি, কোথায়

ডেটাসেটে মেডিকেল কলেজ ১১২টি, যা বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজের উইকিপিডিয়া তালিকা থেকে নেওয়া। বিভাগ অনুযায়ী ভাগ এবং তালিকাভুক্ত এমবিবিএস আসন নিচে দেওয়া হলো।

  • ঢাকা: ৫২টি কলেজ (সরকারি ১১, বেসরকারি ৪১), আসন ৫,৪০৯
  • চট্টগ্রাম: ১৯টি (সরকারি ৯, বেসরকারি ১০), আসন ১,৭৪৫
  • রাজশাহী: ১১টি (সরকারি ৬, বেসরকারি ৫), আসন ১,২৫০
  • খুলনা: ১০টি (সরকারি ৬, বেসরকারি ৪), আসন ৮৫৫
  • সিলেট: ৭টি (সরকারি ৩, বেসরকারি ৪), আসন ৭৭৭
  • রংপুর: ৬টি (সরকারি ৪, বেসরকারি ২), আসন ৮০০
  • ময়মনসিংহ: ৪টি (সরকারি ৩, বেসরকারি ১), আসন ৫১৫
  • বরিশাল: ৩টি (সরকারি ২, বেসরকারি ১), আসন ৩৭৫

১১২টির মধ্যে ৫২টিই ঢাকা বিভাগে, আর তালিকাভুক্ত আসনের প্রায় ৪৬ শতাংশ সেখানে। ৬৮টি বেসরকারি কলেজের ৪১টিও ঢাকায়। বরিশাল বিভাগে মোট কলেজ তিনটি। বাড়ির কাছে পড়তে চাইলে সেখানে বিকল্প সীমিত, ময়মনসিংহের ক্ষেত্রেও একই কথা।

কলেজগুলোর বয়স

তালিকার সবচেয়ে পুরোনো কলেজ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, প্রতিষ্ঠা ১৮৭৫। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (১৯৪৬), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮), ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (দুটিই ১৯৬২), বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮) এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)।

১৯৮০-র আগের কলেজ মাত্র আটটি, আর আটটিই সরকারি। তালিকার প্রথম বেসরকারি কলেজ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ (১৯৮৬) এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্লাইড হেলথ সায়েন্সেস (১৯৮৯)। এরপর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে।

  • ১৯৯০-এর দশকে: ১৫টি
  • ২০০০-এর দশকে: ৩০টি
  • ২০১০-এর দশকে: ৫১টি
  • ২০২০-এর দশকে এখন পর্যন্ত: ৬টি

অর্থাৎ ১১২টির মধ্যে ৮৭টি ২০০০ সাল বা তার পরে চালু হয়েছে। ২০১০ বা তার পরে চালু হয়েছে ৫৭টি, যার ২৬টি সরকারি ও ৩১টি বেসরকারি। সবচেয়ে নতুন তিনটি সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ (২০২১), আসগর আলী মেডিকেল কলেজ ও নেভি মেডিকেল কলেজ চট্টগ্রাম (দুটিই ২০২৪)। বয়স থেকে বোঝা যায় একটি কলেজ কত বছর ধরে চিকিৎসক তৈরি করছে। কতটা ভালোভাবে করছে, তা বোঝা যায় না।

ধরনভেদে চিত্রটা আলাদা। ৪৪টি সরকারি কলেজের ২৬টি ২০১০ বা তার পরে চালু হয়েছে, আর ৬৮টি বেসরকারি কলেজের ৩১টি। ২০০০-এর আগের বেসরকারি কলেজ এগারোটি। তাই তালিকার বেশির ভাগ বেসরকারি কলেজ গত পঁচিশ বছরের মধ্যে চালু হয়েছে, আর সরকারি কলেজের দলে অল্প কয়েকটি দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আছে অনেক সাম্প্রতিক জেলাপর্যায়ের কলেজ। শিক্ষার্থীর কাছে তাই "মেডিকেল কলেজ" একই নাম হলেও তার আড়ালে থাকা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা হাসপাতালের ইতিহাস একেবারে আলাদা।

আসন: সরকারি ও বেসরকারি

ডেটাসেটের হিসাবে সরকারি কলেজে এমবিবিএস আসন ৫,৫২৫টি, বেসরকারিতে ৬,২০১টি, মোট ১১,৭২৬টি। গড়ে সরকারি কলেজে আসন প্রায় ১২৬টি, বেসরকারিতে প্রায় ৯১টি। একেকটি কলেজে আসন ৫০ থেকে ২২৫ পর্যন্ত।

নয়টি সরকারি কলেজের আসন ২২৫টি করে: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট এম এ জি ওসমানী, শের-ই-বাংলা, রংপুর, স্যার সলিমুল্লাহ এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে চালু হওয়া কয়েকটি সরকারি কলেজের আসন ৫০টি, যেমন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ ও হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজ।

সরকারি কলেজ ১১২টির মধ্যে ৪৪টি, অর্থাৎ প্রায় ৩৯ শতাংশ। অথচ তালিকাভুক্ত ১১,৭২৬ আসনের ৫,৫২৫টিই, প্রায় ৪৭ শতাংশ, সরকারি কলেজে। কারণ আকার: সরকারি কলেজ গড়ে বড়, আর বেসরকারি কলেজ সংখ্যায় বেশি কিন্তু আকারে ছোট।

আসনসংখ্যা এলাকাভেদেও আলাদা। প্রতিটি বিভাগের তালিকাভুক্ত আসনকে কলেজসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে গড় দাঁড়ায় ঢাকায় প্রায় ১০৪, চট্টগ্রামে ৯২, রাজশাহীতে ১১৪, খুলনায় ৮৬, সিলেটে ১১১, রংপুরে ১৩৩, ময়মনসিংহে ১২৯ এবং বরিশালে ১২৫। যেসব বিভাগে কলেজ কম, এবং সেগুলোর বেশির ভাগ সরকারি, সেখানে কলেজপ্রতি ভর্তির সংখ্যা সাধারণত বেশি। এটি তালিকাভুক্ত সংখ্যার গড়, তাই প্রতিটি বিভাগের ভেতরের বড় পার্থক্য এতে ঢাকা পড়ে যায়।

এই যোগফল সাবধানে পড়বেন। সংখ্যাগুলো একটি তালিকা থেকে নেওয়া এবং সেখানে লেখা আসনসংখ্যাই ধরা হয়েছে। অথচ প্রতি সেশনেই আসন অনুমোদনে বদল আসে। নিচের ভর্তি-সংক্রান্ত সংখ্যায় প্রতিটি সেশনের জন্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আসন ধরা হয়েছে, যা এই যোগফলের সঙ্গে হুবহু মেলে না।

হাসপাতালের শয্যা: অসম্পূর্ণ চিত্র

১১২টির মধ্যে মাত্র ২১টি কলেজের হাসপাতাল-শয্যার সংখ্যা সংরক্ষিত আছে: ১৩টি সরকারি, ৮টি বেসরকারি। বাকি ৯১টির কোনো সংখ্যা নেই, তাই তাদের তুলনা সম্ভব নয়। ২১টির মধ্যে ব্যবধান অনেক বড়।

শয্যার সংখ্যা মানে ধারণক্ষমতা। একজন শিক্ষার্থী বাস্তবে কত রোগী দেখেন বা বেডসাইড শিক্ষা কীভাবে চলে, তা এ থেকে জানা যায় না। শয্যাকে আসন দিয়ে ভাগ করে একটা স্কোর বানিয়ে ফেলার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজকে সরাসরি জিজ্ঞেস করুন।

জাতীয় ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা

সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তিচ্ছুদের বেশির ভাগ একটি জাতীয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। নিচের সংখ্যা সংবাদ প্রতিবেদন থেকে নেওয়া, প্রতিটির সঙ্গে সেশন উল্লেখ আছে। আসনসংখ্যা সেই সেশনে সরকারি আসন হিসেবে প্রতিবেদিত সংখ্যা।

  • ২০২২-২৩: ৪,৩৫০ সরকারি আসনের বিপরীতে ১,৩৮,০০০-এর বেশি আবেদনকারী, আসনপ্রতি প্রায় ৩১.৭ জন। আবেদনকারীর সংখ্যা সব কলেজ মিলিয়ে বলা হয়েছিল, তাই এই অনুপাত আনুমানিক।
  • ২০২৩-২৪: ৫,৩৮০ আসনের বিপরীতে ১,০৪,০৪৪ আবেদনকারী, আসনপ্রতি প্রায় ১৯.৩ জন।
  • ২০২৪-২৫: ৫,৩৮০ আসনের বিপরীতে ১,৩৫,২৬১টি আবেদন, আসনপ্রতি প্রায় ২৫.১ জন।
  • ২০২৫-২৬: ৫,৬৪৫ আসনের (এমবিবিএস ৫,১০০ ও বিডিএস ৫৪৫) বিপরীতে ১,২২,৬৩২ আবেদনকারী, আসনপ্রতি প্রায় ২১.৭ জন।

২০২৫-২৬ সেশনে একটি প্রতিবেদন বেসরকারি আসনও গুনেছে। তাতে মোট আসন ১৩,০৫১, যার ৭,৪০৬টি বেসরকারি। এই বড় সংখ্যার বিপরীতে অনুপাত নেমে আসে আসনপ্রতি প্রায় ৯.৪ জনে। দুটি হিসাব দুই রকম প্রশ্নের উত্তর দেয়। প্রথমটি বলে সরকারি আসন পাওয়া কতটা কঠিন, দ্বিতীয়টি বলে সব মিলিয়ে কত আসন আছে। কোনো একটি কলেজের চিত্র এর কোনোটিতেই নেই, কারণ আবেদনকারীরা মেধাক্রম ও পছন্দের ভিত্তিতে কলেজ পান। সূত্র ডেইলি ক্যাম্পাস, প্রথম আলো ও ঢাকা টাইমস ২৪।

কলেজ বেছে নেওয়ার আগে কী যাচাই করবেন

এই গাইডের তথ্য কলেজ নিজে যাচাই করার বিকল্প নয়। নিজের পছন্দের তালিকা সাজানোর আগে নিচের বিষয়গুলো দেখে নিন।

  • বিএমডিসির স্বীকৃতি। কলেজ ও তার এমবিবিএস কোর্স বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের স্বীকৃত কি না নিশ্চিত করুন, কারণ চিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধনের বিষয়টি এর ওপর নির্ভর করে। তৃতীয় পক্ষের তালিকা নয়, কাউন্সিলের নিজস্ব তথ্য দেখুন।
  • হাসপাতালের ধারণক্ষমতা। সংযুক্ত শিক্ষা হাসপাতালে বর্তমানে কত শয্যা আছে তা জানতে চান। ব্রোশিওর বা পুরোনো তালিকার সংখ্যা যথেষ্ট নয়।
  • ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা। শিক্ষার্থীরা কোন ওয়ার্ড ও বহির্বিভাগে, কোন বর্ষে ঘুরে শেখেন, তা জিজ্ঞেস করুন।
  • অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ডেটাসেটে অধিভুক্তির তথ্য আছে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ৫৮টি কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ১৬টি, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ১৫টি, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ৯টি, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ৭টি এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় অব প্রফেশনালস-এর সঙ্গে ৭টি। আপনার পরীক্ষা ও সনদ আসবে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
  • আপনার সেশনের অনুমোদিত আসন। যে বছর আবেদন করছেন, সে বছরের সরকারি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি পড়ুন, কারণ আসনসংখ্যা বদলায়।
  • অবস্থান। অন্য বিভাগের কলেজ মানে কয়েক বছর বাড়ি থেকে দূরে থাকা। কাছের কোনো বিকল্পের সঙ্গে সেটি মিলিয়ে দেখুন।

উল্কার মেডিকেল র‍্যাঙ্কিং প্রকাশিত হলে সেটি এই যাচাইগুলোর পাশে থাকবে, বিকল্প হিসেবে নয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশে মেডিকেল কলেজের কোনো র‍্যাঙ্কিং আছে কি?

উল্কায় এখনো নেই। মেডিকেল কলেজের তালিকা পরে আসবে, প্রকাশিত পদ্ধতি অনুযায়ী। ততদিন এই গাইডে মেডিকেল কলেজগুলোকে একটির সঙ্গে আরেকটির তুলনা করে সাজানো হয়নি।

বাংলাদেশে মেডিকেল কলেজ কয়টি?

বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজের উইকিপিডিয়া তালিকা থেকে তৈরি আমাদের ডেটাসেটে ১১২টি কলেজ আছে: ৪৪টি সরকারি, ৬৮টি বেসরকারি। এর ৫২টি ঢাকা বিভাগে।

এমবিবিএস আসন কত?

ডেটাসেটে সরকারি কলেজে ৫,৫২৫ এবং বেসরকারিতে ৬,২০১টি আসন তালিকাভুক্ত। প্রতি সেশনে আসনসংখ্যা বদলায়। ২০২৫-২৬ সেশনে সংবাদে প্রকাশিত সরকারি আসন ছিল এমবিবিএস ৫,১০০ ও বিডিএস ৫৪৫।

বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো মেডিকেল কলেজ কোনটি?

এই ডেটাসেট অনুযায়ী ঢাকা মেডিকেল কলেজ, প্রতিষ্ঠা ১৯৪৬। ১৯৮০-র আগের কলেজ মাত্র আটটি, সবই সরকারি।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা কেমন?

সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী সরকারি আসনপ্রতি আবেদনকারী ২০২২-২৩-এ প্রায় ৩১.৭ জন, ২০২৩-২৪-এ ১৯.৩ জন, ২০২৪-২৫-এ ২৫.১ জন এবং ২০২৫-২৬-এ ২১.৭ জন। বেসরকারি আসন ধরলে ২০২৫-২৬-এ অনুপাত ছিল প্রায় ৯.৪ জন।

THE র‍্যাঙ্কিংয়ে কোনো বাংলাদেশি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আছে কি?

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত THE World University Rankings 2027-এর ১২০১-১৪০০ ব্যান্ডে আছে।

কোন বিভাগে মেডিকেল কলেজ সবচেয়ে বেশি?

ঢাকায়: ৫২টি কলেজ (সরকারি ১১, বেসরকারি ৪১), তালিকাভুক্ত আসন ৫,৪০৯। এরপর চট্টগ্রামে ১৯টি।

মেডিকেল কলেজ বেছে নেওয়ার আগে কী দেখব?

বিএমডিসির স্বীকৃতি, হাসপাতালের বর্তমান ধারণক্ষমতা, প্রতি বর্ষে ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা, অধিভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আপনার সেশনের অনুমোদিত আসন যাচাই করুন।

সব গাইড