গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
Gopalganj Science and Technology University
পূর্বনাম: Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science and Technology University
পরিচিত: BSMRSTU, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science and Technology University
- কিউএস ওয়ার্ল্ড
- কিউএস ওয়ার্ল্ড এ র্যাংক নেইর্যাংক নেই
- টিএইচই ওয়ার্ল্ড
- টিএইচই ওয়ার্ল্ড এ র্যাংক নেইর্যাংক নেই
- উল্কা
- উল্কা এ র্যাংক নেইর্যাংক নেই
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সর্বশেষ কিউএস, টিএইচই বা উল্কা সংস্করণে র্যাংকভুক্ত নয়।
GSTU-কে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করুন
উল্কা এডু র্যাঙ্ক
উল্কা ২০২৭-এ র্যাংকভুক্ত নয় (পর্যাপ্ত প্রকাশ্য তথ্য নেই)। সংস্করণটি যেসব প্রতিষ্ঠানকে র্যাংক করেছে, তাদের স্কোর ও সূচকভিত্তিক বিশ্লেষণ এখানে দেখা যায়।
পরিচিতি
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জিএসটিইউ) ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জে অবস্থিত একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১১ সালে এর যাত্রা শুরু। ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত ছিল। রাষ্ট্রপতি এর আচার্য।
র্যাংকিংয়ে অবস্থান
উল্কা এডু র্যাঙ্ক ২০২৭-এ জিএসটিইউ-এর অবস্থান ২৬। উল্কার প্রকাশিত পদ্ধতি অনুসারে ভর্তি, শিক্ষক, গবেষণা ও অন্যান্য সূচকের প্রকাশ্য তথ্য থেকে এই অবস্থান হিসাব করা হয়েছে। উল্কায় সংরক্ষিত কিউএস এশিয়া ২০২৬ বা টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ২০২৭ তালিকায় জিএসটিইউ-এর নাম নেই, তাই কিউএস বা টিএইচই ব্যান্ড উল্লেখ করা যাচ্ছে না।
এক নজরে
- ধরন: সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
- অবস্থান: গোপালগঞ্জ
- প্রতিষ্ঠা: ২০১১
- ২০২৭ সালের জন্য উল্কায় তালিকাভুক্ত প্রোগ্রাম: ২৬টি
- ২০২৫ সালে গবেষণা প্রকাশনা ৫৮১টি, ২০২৬ সালের হিসাবে এইচ-ইনডেক্স ১১৩
ভর্তিচ্ছুদের জন্য বড় আকর্ষণ হলো বিষয়ের বৈচিত্র্য। এত নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল, কৃষি, ভেটেরিনারি, ব্যবসা, কলা ও আইন একসঙ্গে পাওয়া সচরাচর দেখা যায় না।
জিএসটিইউ-এর পরিকল্পনা শুরু হয় ১৯৯৯ সালে, যখন সরকার কয়েকটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার উদ্যোগ নেয়। ২০০১ সালের ৮ জুলাই গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয় এবং একই সময়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০০২ সালে সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটি থেমে যায় এবং কয়েক বছর স্থবির থাকে।
২০০৯ সালে কাজ আবার শুরু হয় এবং ২০১১ সালে একাডেমিক কার্যক্রম চালু হয়। দীর্ঘদিন এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত ছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নাম বদলে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হয়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এই নামই ব্যবহার করে।
ক্যাম্পাসটি গোবরায় প্রায় ৫৫ একর জমির ওপর। বর্তমানে ক্যাম্পাসে একটি একাডেমিক ভবন, একটি প্রশাসনিক ভবন ও পাঁচটি ছাত্রাবাস আছে, আর প্রকাশ্য সূত্র অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে আটটি অনুষদ ও ৩১টি বিভাগ রয়েছে।
ভর্তি
জিএসটিইউ-তে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে, অনুষদভেদে আলাদা পরীক্ষা হয়। প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয় এবং অফিসিয়াল ভর্তি সাইটে আবেদন নেওয়া হয়। যোগ্যতা অনুষদভেদে আলাদা, তাই নিজের অনুষদের বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
প্রকাশ্য সূত্র অনুযায়ী প্রতি বছর প্রায় ১,৫০০ শিক্ষার্থী স্নাতকে ভর্তি হন, তাই প্রতিযোগিতা বাস্তব। সাধারণ প্রস্তুতির চেয়ে নিজের অনুষদের বিষয়গুলোতে প্রস্তুতি বেশি কাজে আসে।
আবেদনের আগে সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি, তারিখ, যোগ্যতা ও পরীক্ষার ধরন দেখে নিতে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://www.gstu.edu.bd ঘুরে আসুন।
প্রোগ্রাম
উল্কার তথ্য অনুযায়ী জিএসটিইউ ২০২৭ সালের জন্য ২৬টি প্রোগ্রাম তালিকাভুক্ত করেছে। প্রকাশ্য সূত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টি আটটি অনুষদ ও ৩১টি বিভাগে সাজানো, যেখানে প্রকৌশল, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, কৃষি, ভেটেরিনারি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও আইন রয়েছে।
প্রোগ্রামের তালিকায় আছে:
- কৃষি
- স্থাপত্য
- পুরকৌশল
- কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
- অর্থনীতি
- পরিবেশবিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, ব্যবস্থাপনা এবং মার্কেটিং
- ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
উল্কার তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালে একটি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের স্বীকৃতি পেয়েছে। পেশাগত স্বীকৃতি প্রোগ্রামভিত্তিক হওয়ায় পছন্দের বিভাগের অ্যাক্রেডিটেশন অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই যাচাই করে নেওয়া ভালো।
আকারের তুলনায় গবেষণাতেও জিএসটিইউ-এর উপস্থিতি চোখে পড়ে। ২০২৫ সালে ৫৮১টি এবং ২০২৫ পর্যন্ত পাঁচ বছরে ২,২২৭টি প্রকাশনা রয়েছে, এই সময়ে সাইটেশন ২৮,০২৭।
ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ)৭টি প্রোগ্রাম
- Accounting and Information Systemsস্নাতক
- Environmental Science & Disaster Managementস্নাতক
- Finance and Bankingস্নাতক
- Management Studiesস্নাতক
- Marketingস্নাতক
- Tourism and Hospitality Managementস্নাতক
- Evening MBAস্নাতকোত্তর
তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল৩টি প্রোগ্রাম
- Electrical and Electronic Engineeringস্নাতক
- Electronics and Telecommunication Engineeringস্নাতক
- MSc in Engineering (Electrical and Electronic Engineering)স্নাতকোত্তর
কৃষি২টি প্রোগ্রাম
- Agricultureস্নাতক
- Department of Agricultureস্নাতক
আরও ২৬টি প্রোগ্রাম দেখুন
ফার্মেসি২টি প্রোগ্রাম
- Bachelor of Pharmacy (B.Pharm)স্নাতক
- Pharmacyস্নাতক
স্থাপত্য১টি প্রোগ্রাম
- Architectureস্নাতক
পুরকৌশল১টি প্রোগ্রাম
- Civil Engineeringস্নাতক
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল১টি প্রোগ্রাম
- Computer Science and Engineeringস্নাতক
অর্থনীতি১টি প্রোগ্রাম
- Economicsস্নাতক
ইংরেজি১টি প্রোগ্রাম
- Englishস্নাতক
আইন১টি প্রোগ্রাম
- Lawস্নাতক
গণিত১টি প্রোগ্রাম
- Mathematicsস্নাতক
পদার্থবিজ্ঞান১টি প্রোগ্রাম
- Physicsস্নাতক
অন্যান্য প্রোগ্রাম১৬টি প্রোগ্রাম
- Applied Chemistry and Chemical Engineeringস্নাতক
- Banglaস্নাতক
- Biochemistry and Molecular Biologyস্নাতক
- Biotechnology and Genetic Engineeringস্নাতক
- Botanyস্নাতক
- Chemistryস্নাতক
- Fisheries and Marine Bioscienceস্নাতক
- Food Engineeringস্নাতক
- Historyস্নাতক
- International Relationsস্নাতক
- Livestock Science and Veterinary Medicineস্নাতক
- Political Scienceস্নাতক
- Psychologyস্নাতক
- Public Administrationস্নাতক
- Sociologyস্নাতক
- Statisticsস্নাতক
প্রধান তথ্য
- শিক্ষার্থী
- ১০,৭৫৫২০২৩ugc(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- শিক্ষক
- ৩৮৫২০২৩ugc(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- পিএইচডিধারী শিক্ষক
- ৮১শিক্ষকদের ২১%২০২৩ugc(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- নতুন ভর্তি
- ৩,১৩৭২০২৩ugc(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রোগ্রাম
- ১২০২৬accreditation(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- গত ৫ বছরের গবেষণাপত্র
- ২,২২৭২০২৫openalex(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- গত ৫ বছরের উদ্ধৃতি
- ২৮,০২৭২০২৫openalex(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- প্রতি গবেষণাপত্রে উদ্ধৃতি
- ১২.৬২০২৫openalex(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- এইচ-ইনডেক্স
- ১১৩২০২৬openalex(নতুন ট্যাবে খুলবে)
- আন্তর্জাতিক সহলেখকসহ গবেষণাপত্র
- ৪৪.২%২০২৫openalex(নতুন ট্যাবে খুলবে)
গবেষণা ও ক্যাম্পাস জীবন
গোবরা ক্যাম্পাসে একটি একাডেমিক ভবন, একটি প্রশাসনিক ভবন এবং পাঁচটি আবাসিক হল আছে, তিনটি ছাত্রদের ও দুটি ছাত্রীদের। ২০১৪ সালে চালু হওয়া একুশে ফেব্রুয়ারি গ্রন্থাগার কেন্দ্র পড়াশোনার প্রধান জায়গা।
গোপালগঞ্জ একটি জেলা শহর, বড় নগর নয়। বড় শহরের পরিবেশ চাইলে সিদ্ধান্তের আগে এ বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার। হলের আসন সীমিত, তাই থাকার পরিকল্পনার আগে বিশ্ববিদ্যালয় বা বর্তমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আসনের অবস্থা জেনে নিন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি না বেসরকারি?
এটি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয় এবং রাষ্ট্রপতি এর আচার্য।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জের গোবরায়, প্রায় ৫৫ একর জমির ওপর।
জিএসটিইউ-এর আগের নাম কী ছিল?
আগের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নাম বদলে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হয়।
জিএসটিইউ-এর উল্কা এডু র্যাঙ্ক কত?
উল্কা এডু র্যাঙ্ক ২০২৭-এ জিএসটিইউ ২৬তম অবস্থানে। অবস্থানটি উল্কার প্রকাশিত পদ্ধতি অনুসারে হিসাব করা।
জিএসটিইউ-তে কোন কোন বিষয়ে পড়া যায়?
উল্কায় ২০২৭ সালের জন্য ২৬টি প্রোগ্রাম আছে, যার মধ্যে কৃষি, স্থাপত্য, পুরকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, অর্থনীতি, ব্যবসা বিষয় ও পরিবেশবিজ্ঞান রয়েছে।
জিএসটিইউ-তে ভর্তি হবো কীভাবে?
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করে নিজ অনুষদের প্রতিযোগিতামূলক ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। তারিখ ও যোগ্যতা দেখুন http://www.gstu.edu.bd সাইটে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১১ সালে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর অবস্থান বাংলাদেশের Gopalganj, ঢাকা।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ কতজন শিক্ষার্থী আছে?
২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ শিক্ষার্থী ১০,৭৫৫ জন।
সূত্র
- pcb (নতুন ট্যাবে খুলবে)
- openalex (নতুন ট্যাবে খুলবে), সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৬
- ugc (নতুন ট্যাবে খুলবে)
উল্কা শুধু প্রকাশিত র্যাংক বা ব্যান্ড দেখায়। কিউএস ও টিএইচই-এর স্কোর ও টেবিল প্রকাশকদের কপিরাইট, তাই এখানে দেওয়া হয়নি।