কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৪: বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়
৪টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান র্যাংকভুক্ত, শীর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৪০)।
- প্রকাশের তারিখ
- প্রকাশিত ৯ নভেম্বর ২০২৩
- বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
- ৪টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
- বিশ্বব্যাপী মোট
- বিশ্বে র্যাংকভুক্ত ৮৫৬টির মধ্যে
সূত্র: QS Asia University Rankings ২০২৪ (নতুন ট্যাবে খুলবে) (Rank published by QS Quacquarelli Symonds; reproduced as a single rank for reference.).
প্রথম সংস্করণ
বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের তথ্যসহ প্রথম সংস্করণ।
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৪: পূর্ণ তালিকা
৪টির মধ্যে ৪টি দেখানো হচ্ছে, র্যাংক অনুযায়ী সাজানো
| ১ | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়University of DhakaDhakaসরকারি
| — |
|---|---|---|
| ২ | বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়Bangladesh University of Engineering and TechnologyDhakaসরকারি
| — |
| ৩ | নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিNorth South UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
| ৪ | ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়BRAC UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৪ থেকে যা জানা যায়
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৪-এ বাংলাদেশের ৪টি প্রতিষ্ঠান আছে। সবার ওপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অবস্থান ১৪০।
সেক্টর অনুযায়ী র্যাংক পাওয়া প্রতিষ্ঠান: ২টি সরকারি, ২টি বেসরকারি।
প্রথম তিনটি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৪০), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৭), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (১৯১)।
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৪ সম্পর্কে
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৪ প্রকাশ করেছে ৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে। Ulkaa Campus-এর নথি অনুযায়ী এই সংস্করণে বাংলাদেশের ৪টি প্রতিষ্ঠান আছে (সরকারি ২টি ও বেসরকারি ২টি)। দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪০ অবস্থানে।
এই সংস্করণ আংশিকভাবে নথিভুক্ত। প্রকাশকের তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা যতগুলো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান Ulkaa Campus এখন পর্যন্ত যোগ করতে পেরেছে, শুধু সেগুলোই এখানে আছে। তাই ৪ সংখ্যাটিকে সর্বনিম্ন সংখ্যা হিসেবে ধরুন; প্রকাশকের পূর্ণ তালিকায় আরও বাংলাদেশি নাম থাকতে পারে।
কারা আছে, কোথায়
এই সংস্করণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৪০), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৭), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (১৯১) ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (২৮১-২৯০)। নাম ধরে যাঁরা খোঁজেন, তাঁদের জন্য: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৪০; বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৭; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ১৯১।
এশিয়া তালিকায় র্যাঙ্ক মানে পুরো মহাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অবস্থান, তাই বাংলাদেশের সেরা অবস্থানগুলোও কয়েকশ'র ঘরে পড়ে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজেদের মধ্যে তুলনা করতে হলে জাতীয় অবস্থান, অর্থাৎ Ulkaa Campus-এ শুধু বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গোনা অবস্থান, বেশি কাজের।
ওঠানামা
Ulkaa Campus-এ এটিই এই তালিকার সবচেয়ে পুরোনো নথিভুক্ত সংস্করণ, তাই তুলনা করার মতো আগের সংস্করণ নেই।
র্যাঙ্ক ও ব্যান্ড কীভাবে পড়বেন
৬০০-এর মতো সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট অবস্থান। ১০০১-১২০০-এর মতো ব্যান্ড মানে প্রকাশক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে রেখেছে এবং ব্যান্ডের ভেতরে ক্রম দেয়নি, অর্থাৎ একই ব্যান্ডের দুটি প্রতিষ্ঠান সমান অবস্থানে। ১৪০১+ এর মতো মান মানে প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশিত শেষ ব্যান্ডে আছে। Ulkaa Campus র্যাঙ্ক ঠিক সেভাবেই দেখায়, যেভাবে প্রকাশক ছেপেছে; ব্যান্ডকে কখনো একটি সংখ্যায় রূপান্তর করে না।
QS Asia কী মাপে
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং বিশ্ব তালিকার কাছাকাছি নির্দেশক ব্যবহার করে, তবে অঞ্চলের প্রয়োজন অনুযায়ী ভার বদলানো। একাডেমিক সুনাম ৩০ শতাংশ ও নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনাম ২০ শতাংশ। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক ও প্রতি গবেষণাপত্রে উদ্ধৃতি প্রতিটি ১০ শতাংশ। শিক্ষকপ্রতি গবেষণাপত্র এবং পিএইচডি-ধারী শিক্ষক প্রতিটি ৫ শতাংশ, আর আন্তর্জাতিকীকরণের চারটি মাপ, বিদেশি শিক্ষক, বিদেশি শিক্ষার্থী, আগত বিনিময় শিক্ষার্থী ও বহির্গামী বিনিময় শিক্ষার্থী, প্রতিটি ২.৫ শতাংশ। কিউএস তাদের এশিয়া তালিকার জন্য এই ভারই প্রকাশ করেছে। বিশ্ব তালিকার তুলনায় এখানে শিক্ষকদের যোগ্যতা ও শিক্ষার্থী বিনিময়ের গুরুত্ব বেশি, আর তুলনা হয় শুধু এশিয়ার অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। সে কারণেই একই প্রতিষ্ঠান এশিয়া তালিকায় কয়েকশ'র ঘরে থাকলেও বিশ্ব তালিকায় অনেক নিচের ব্যান্ডে থাকতে পারে। এক তালিকার অবস্থান অন্য তালিকার অবস্থানে রূপান্তর করা যায় না।
সারকথা
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৪-এ বাংলাদেশের ৪টি প্রতিষ্ঠান নথিভুক্ত। দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪০ অবস্থানে।
প্রকাশক কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস; তাদের পদ্ধতি-পাতা https://www.topuniversities.com/asia-rankings/methodology। এখানে তালিকাটি রেফারেন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠানপ্রতি একটি র্যাঙ্ক আকারে দেওয়া; নম্বর, উপ-নম্বর ও পুরো বৈশ্বিক তালিকা প্রকাশকের। কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস-এর সঙ্গে Ulkaa Campus-এর কোনো সম্পর্ক নেই। ভর্তির সিদ্ধান্তে র্যাঙ্ক কেবল একটি উপাদান; বেশির ভাগ ভর্তিচ্ছুর জন্য বিষয়ের শক্তি, অবস্থান, কোন কোন প্রোগ্রাম আছে এবং প্রতিষ্ঠানের নিজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বেশি জরুরি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৪-এ বাংলাদেশের কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে?
Ulkaa Campus-এর নথি অনুযায়ী কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৪-এ বাংলাদেশের ৪টি প্রতিষ্ঠান আছে (সরকারি ২টি ও বেসরকারি ২টি)। সংস্করণটি আংশিক নথিভুক্ত, তাই সংখ্যাটিকে সর্বনিম্ন ধরুন।
QS Asia ২০২৪-এ বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ১৪০ অবস্থানে। এর পরের অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৭), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (১৯১) ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (২৮১-২৯০)।
QS Asia ২০২৪-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্ক কত?
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৪-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৪০।
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্ক করে?
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস তাদের পদ্ধতি ও ভার প্রকাশ্যে দেয়। সংক্ষেপে: এগারোটি নির্দেশক, যার শীর্ষে একাডেমিক সুনাম (৩০%) ও নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনাম (২০%)। পুরো বিবরণ প্রকাশকের পদ্ধতি-পাতায় আছে।
কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৪ কবে প্রকাশিত হয়েছে?
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস এটি প্রকাশ করেছে ৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে।
আরও দেখুন
সূত্র
- QS Asia University Rankings ২০২৪ (নতুন ট্যাবে খুলবে), QS Quacquarelli Symonds
উল্কা শুধু প্রকাশিত র্যাংক বা ব্যান্ড দেখায়। কিউএস ও টিএইচই-এর স্কোর ও টেবিল প্রকাশকদের কপিরাইট, তাই এখানে দেওয়া হয়নি।