কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৬: বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়
১৫টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান র্যাংকভুক্ত, শীর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (৫৮৪)।
- প্রকাশের তারিখ
- প্রকাশিত ১৯ জুন ২০২৫
- বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
- ১৫টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
সূত্র: QS World University Rankings ২০২৬ (নতুন ট্যাবে খুলবে) (Rank published by QS Quacquarelli Symonds; reproduced as a single rank for reference.).
২০২৫ থেকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন
২০২৫ থেকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৬: পূর্ণ তালিকা
১৫টির মধ্যে ১৫টি দেখানো হচ্ছে, র্যাংক অনুযায়ী সাজানো
| ১কোনো পরিবর্তন নেই | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়University of DhakaDhakaসরকারি
| — |
|---|---|---|
| ২কোনো পরিবর্তন নেই | বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়Bangladesh University of Engineering and TechnologyDhakaসরকারি
| — |
| ৩কোনো পরিবর্তন নেই | নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিNorth South UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
| ৪২০২৫ থেকে ১ ধাপ ওপরে | ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিDaffodil International UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
| ৫২০২৫ থেকে ১ ধাপ নিচে | ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়BRAC UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
| ৫এই সংস্করণে নতুন | ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিIslamic University of TechnologyGazipurআন্তর্জাতিক
| — |
| ৫কোনো পরিবর্তন নেই | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়Jahangirnagar UniversitySavarসরকারি
| — |
| ৫কোনো পরিবর্তন নেই | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়University of RajshahiRajshahiসরকারি
| — |
| ৯এই সংস্করণে নতুন | আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশAmerican International University-BangladeshDhakaবেসরকারি
| — |
| ৯২০২৫ থেকে ৪ ধাপ নিচে | চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়Chittagong University of Engineering and TechnologyRaozanসরকারি
| — |
| ৯২০২৫ থেকে ৩ ধাপ ওপরে | ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিEast West UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
| ৯এই সংস্করণে নতুন | ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশIndependent University, BangladeshDhakaবেসরকারি
| — |
| ৯২০২৫ থেকে ৪ ধাপ নিচে | খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়Khulna UniversityKhulnaসরকারি
| — |
| ৯২০২৫ থেকে ৪ ধাপ নিচে | খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়Khulna University of Engineering and TechnologyKhulnaসরকারি
| — |
| ৯এই সংস্করণে নতুন | রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়Rajshahi University of Engineering and TechnologyRajshahiসরকারি
| — |
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৬ থেকে যা জানা যায়
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৬-এ বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান আছে। সবার ওপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অবস্থান ৫৮৪।
সেক্টর অনুযায়ী র্যাংক পাওয়া প্রতিষ্ঠান: ৮টি সরকারি, ৬টি বেসরকারি, ১টি আন্তর্জাতিক।
প্রথম তিনটি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (৫৮৪), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (৭৬১–৭৭০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (৯৫১–১,০০০)।
২০২৫-এর পর নতুন এসেছে: ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
২০২৫-এর তুলনায় সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ৩ ধাপ।
২০২৫-এর তুলনায় ২টি প্রতিষ্ঠান এগিয়েছে এবং ৫টি একই জায়গায় আছে।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৬ সম্পর্কে
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬ প্রকাশ করেছে ১৯ জুন ২০২৫ তারিখে। Ulkaa Campus-এর নথি অনুযায়ী এই সংস্করণে বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান আছে (সরকারি ৮টি, বেসরকারি ৬টি ও অন্যান্য ধরনের ১টি)। দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ৫৮৪ অবস্থানে।
Ulkaa Campus এই সংস্করণ বাংলাদেশের জন্য পূর্ণাঙ্গভাবে নথিভুক্ত করেছে, অর্থাৎ প্রকাশক যে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে র্যাঙ্ক দিয়েছে, তার সবই এখানে আছে।
কারা আছে, কোথায়
এই সংস্করণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (৫৮৪), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (৭৬১-৭৭০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (৯৫১-১০০০), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (১০০১-১২০০), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (১২০১-১৪০০) ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (১২০১-১৪০০)। নাম ধরে যাঁরা খোঁজেন, তাঁদের জন্য: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫৮৪; বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ৭৬১-৭৭০; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ৯৫১-১০০০।
বিশ্ব তালিকায় র্যাঙ্ক মানে প্রকাশক যত দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ধরেছে, তাদের সবার মধ্যে অবস্থান। তাই বাংলাদেশের সেরা অবস্থানও তালিকার প্রথম পাতা থেকে অনেক দূরে। এ কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজেদের মধ্যে তুলনা করতে হলে জাতীয় অবস্থান, অর্থাৎ Ulkaa Campus-এ শুধু বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গোনা অবস্থান, বেশি কাজের।
ওঠানামা
২০২৫ সংস্করণের সঙ্গে তুলনায়, দুই সংস্করণেই আছে এমন ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১টি ওপরের র্যাঙ্ক বা ব্যান্ডে উঠেছে, ৪টি একই অবস্থানে বা ব্যান্ডে আছে এবং ৬টি নিচের ব্যান্ডে নেমেছে; আরও ৪টি প্রতিষ্ঠান আমাদের নথিতে প্রথমবার এসেছে। তুলনা করা হয়েছে র্যাঙ্ক বা ব্যান্ডের প্রথম সংখ্যা ধরে, তাই একই ব্যান্ডের ভেতরে ওঠানামা পরিবর্তন হিসেবে গোনা হয়নি।
র্যাঙ্ক ও ব্যান্ড কীভাবে পড়বেন
৬০০-এর মতো সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট অবস্থান। ১০০১-১২০০-এর মতো ব্যান্ড মানে প্রকাশক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে রেখেছে এবং ব্যান্ডের ভেতরে ক্রম দেয়নি, অর্থাৎ একই ব্যান্ডের দুটি প্রতিষ্ঠান সমান অবস্থানে। ১৪০১+ এর মতো মান মানে প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশিত শেষ ব্যান্ডে আছে। Ulkaa Campus র্যাঙ্ক ঠিক সেভাবেই দেখায়, যেভাবে প্রকাশক ছেপেছে; ব্যান্ডকে কখনো একটি সংখ্যায় রূপান্তর করে না।
QS কী মাপে
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং তৈরি করে নয়টি নির্দেশকের ভিত্তিতে। একাডেমিক সুনাম ৩০ শতাংশ এবং নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনাম ১৫ শতাংশ; দুটিই আসে কিউএসের বার্ষিক জরিপ থেকে, যেখানে শিক্ষাবিদ ও স্নাতকদের নিয়োগকর্তারা মত দেন। শিক্ষকপ্রতি উদ্ধৃতি ২০ শতাংশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১০ শতাংশ, আর কর্মসংস্থানের ফলাফল, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক, বিদেশি শিক্ষকের অনুপাত, বিদেশি শিক্ষার্থীর অনুপাত ও টেকসই উন্নয়ন প্রতিটির ভার ৫ শতাংশ। কিউএস এগুলোকে পাঁচটি ভাগে সাজায়: গবেষণা ও আবিষ্কার, কর্মসংস্থান ও ফলাফল, শিখন অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা এবং টেকসই উন্নয়ন। এই ভার কিউএস তাদের পদ্ধতি-পাতায় ২০২৭ সংস্করণের জন্য যা দিয়েছে তা-ই; ২০২৪ সংস্করণ থেকে কিউএস এই নির্দেশক-সেট চালু করেছে। বাংলাদেশের পাঠকের জন্য দুটি কথা মনে রাখা দরকার। প্রথমত, মোট নম্বরের প্রায় অর্ধেক নির্ভর করে সুনামের জরিপের ওপর, তাই বিদেশের শিক্ষাবিদ ও নিয়োগকর্তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি তার নিজের গবেষণার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকপ্রতি উদ্ধৃতি একটি অনুপাত, তাই শিক্ষার্থী অনুপাতে গবেষক কম এমন বড় প্রতিষ্ঠানকে একই মাপকাঠিতে ছোট ও গবেষণাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করা হয়।
সারকথা
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান নথিভুক্ত। দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ৫৮৪ অবস্থানে। ২০২৫ সংস্করণের তুলনায় ১টি প্রতিষ্ঠান ওপরে উঠেছে এবং ৪টি একই জায়গায় আছে।
প্রকাশক কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস; তাদের পদ্ধতি-পাতা https://www.topuniversities.com/world-university-rankings/methodology। এখানে তালিকাটি রেফারেন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠানপ্রতি একটি র্যাঙ্ক আকারে দেওয়া; নম্বর, উপ-নম্বর ও পুরো বৈশ্বিক তালিকা প্রকাশকের। কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস-এর সঙ্গে Ulkaa Campus-এর কোনো সম্পর্ক নেই। ভর্তির সিদ্ধান্তে র্যাঙ্ক কেবল একটি উপাদান; বেশির ভাগ ভর্তিচ্ছুর জন্য বিষয়ের শক্তি, অবস্থান, কোন কোন প্রোগ্রাম আছে এবং প্রতিষ্ঠানের নিজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বেশি জরুরি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ বাংলাদেশের কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে?
Ulkaa Campus-এর নথি অনুযায়ী কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ বাংলাদেশের ১৫টি প্রতিষ্ঠান আছে (সরকারি ৮টি, বেসরকারি ৬টি ও অন্যান্য ধরনের ১টি)।
QS ২০২৬-এ বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ৫৮৪ অবস্থানে। এর পরের অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (৭৬১-৭৭০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (৯৫১-১০০০) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (১০০১-১২০০)।
QS ২০২৬-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্ক কত?
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫৮৪; ২০২৫ সংস্করণে ছিল ৫৫৪।
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্ক করে?
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস তাদের পদ্ধতি ও ভার প্রকাশ্যে দেয়। সংক্ষেপে: নয়টি নির্দেশক, যার শীর্ষে একাডেমিক সুনাম (৩০%), শিক্ষকপ্রতি উদ্ধৃতি (২০%) ও নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনাম (১৫%)। পুরো বিবরণ প্রকাশকের পদ্ধতি-পাতায় আছে।
২০২৫ সংস্করণের তুলনায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান কেমন বদলেছে?
দুই সংস্করণেই আছে এমন ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১টি ওপরের র্যাঙ্ক বা ব্যান্ডে উঠেছে, ৪টি একই অবস্থানে আছে এবং ৬টি নিচের ব্যান্ডে নেমেছে।
আরও দেখুন
সূত্র
- QS World University Rankings ২০২৬ (নতুন ট্যাবে খুলবে), QS Quacquarelli Symonds
উল্কা শুধু প্রকাশিত র্যাংক বা ব্যান্ড দেখায়। কিউএস ও টিএইচই-এর স্কোর ও টেবিল প্রকাশকদের কপিরাইট, তাই এখানে দেওয়া হয়নি।