কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭: বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়
১৩টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান র্যাংকভুক্ত, শীর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (=৬০০)।
- প্রকাশের তারিখ
- প্রকাশিত ১৮ জুন ২০২৬
- বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
- ১৩টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান
সূত্র: QS World University Rankings ২০২৭ (নতুন ট্যাবে খুলবে) (Rank published by QS Quacquarelli Symonds; reproduced as a single rank for reference.).
২০২৬ থেকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন
২০২৬ থেকে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭: পূর্ণ তালিকা
১৩টির মধ্যে ১৩টি দেখানো হচ্ছে, র্যাংক অনুযায়ী সাজানো
| ১কোনো পরিবর্তন নেই | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়University of DhakaDhakaসরকারি
| |
|---|---|---|
| ২কোনো পরিবর্তন নেই | বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়Bangladesh University of Engineering and TechnologyDhakaসরকারি
| |
| ৩কোনো পরিবর্তন নেই | নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিNorth South UniversityDhakaবেসরকারি
| |
| ৪২০২৬ থেকে ১ ধাপ ওপরে | ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়BRAC UniversityDhakaবেসরকারি
| |
| ৪কোনো পরিবর্তন নেই | ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিDaffodil International UniversityDhakaবেসরকারি
| — |
| ৬২০২৬ থেকে ৩ ধাপ ওপরে | আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশAmerican International University-BangladeshDhakaবেসরকারি
| ৭১.২ |
| ৬এই সংস্করণে নতুন | বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়Bangladesh Agricultural UniversityMymensinghসরকারি
| |
| ৬২০২৬ থেকে ৩ ধাপ ওপরে | চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়Chittagong University of Engineering and TechnologyRaozanসরকারি
| |
| ৬২০২৬ থেকে ১ ধাপ নিচে | ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিIslamic University of TechnologyGazipurআন্তর্জাতিক
| — |
| ৬২০২৬ থেকে ১ ধাপ নিচে | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়Jahangirnagar UniversitySavarসরকারি
| |
| ৬২০২৬ থেকে ৩ ধাপ ওপরে | খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়Khulna University of Engineering and TechnologyKhulnaসরকারি
| |
| ৬এই সংস্করণে নতুন | শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়Shahjalal University of Science and TechnologySylhetসরকারি
| |
| ৬২০২৬ থেকে ১ ধাপ নিচে | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়University of RajshahiRajshahiসরকারি
| ৭৫.৫ |
উল্কার নিজস্ব র্যাংকিং, প্রকাশ্য ও উল্কা-সংগৃহীত তথ্য থেকে তৈরি; ইউজিসি, কিউএস বা টিএইচই-র সঙ্গে যুক্ত নয়। পদ্ধতি
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭ থেকে যা জানা যায়
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭-এ বাংলাদেশের ১৩টি প্রতিষ্ঠান আছে। সবার ওপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অবস্থান =৬০০।
সেক্টর অনুযায়ী র্যাংক পাওয়া প্রতিষ্ঠান: ৮টি সরকারি, ৪টি বেসরকারি, ১টি আন্তর্জাতিক।
প্রথম তিনটি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (=৬০০), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (৭১১–৭২০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (৯০১–৯৫০)।
২০২৬-এর পর নতুন এসেছে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
২০২৬-এর তুলনায় সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ, ৩ ধাপ।
২০২৬-এর তুলনায় ৪টি প্রতিষ্ঠান এগিয়েছে এবং ৪টি একই জায়গায় আছে।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭ সম্পর্কে
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭ প্রকাশ করেছে ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে। Ulkaa Campus-এর নথি অনুযায়ী এই সংস্করণে বাংলাদেশের ১৩টি প্রতিষ্ঠান আছে (সরকারি ৮টি, বেসরকারি ৪টি ও অন্যান্য ধরনের ১টি)। দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, =৬০০ অবস্থানে।
Ulkaa Campus এই সংস্করণ বাংলাদেশের জন্য পূর্ণাঙ্গভাবে নথিভুক্ত করেছে, অর্থাৎ প্রকাশক যে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে র্যাঙ্ক দিয়েছে, তার সবই এখানে আছে।
কারা আছে, কোথায়
এই সংস্করণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (=৬০০), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (৭১১-৭২০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (৯০১-৯৫০), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (১০০১-১২০০), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (১০০১-১২০০) ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (১৪০১+)। নাম ধরে যাঁরা খোঁজেন, তাঁদের জন্য: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় =৬০০; বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ৭১১-৭২০; নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ৯০১-৯৫০।
বিশ্ব তালিকায় র্যাঙ্ক মানে প্রকাশক যত দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ধরেছে, তাদের সবার মধ্যে অবস্থান। তাই বাংলাদেশের সেরা অবস্থানও তালিকার প্রথম পাতা থেকে অনেক দূরে। এ কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজেদের মধ্যে তুলনা করতে হলে জাতীয় অবস্থান, অর্থাৎ Ulkaa Campus-এ শুধু বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গোনা অবস্থান, বেশি কাজের।
ওঠানামা
২০২৬ সংস্করণের সঙ্গে তুলনায়, দুই সংস্করণেই আছে এমন ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩টি ওপরের র্যাঙ্ক বা ব্যান্ডে উঠেছে, ৪টি একই অবস্থানে বা ব্যান্ডে আছে এবং ৪টি নিচের ব্যান্ডে নেমেছে; আরও ২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের নথিতে প্রথমবার এসেছে। তুলনা করা হয়েছে র্যাঙ্ক বা ব্যান্ডের প্রথম সংখ্যা ধরে, তাই একই ব্যান্ডের ভেতরে ওঠানামা পরিবর্তন হিসেবে গোনা হয়নি।
র্যাঙ্ক ও ব্যান্ড কীভাবে পড়বেন
৬০০-এর মতো সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট অবস্থান। ১০০১-১২০০-এর মতো ব্যান্ড মানে প্রকাশক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে রেখেছে এবং ব্যান্ডের ভেতরে ক্রম দেয়নি, অর্থাৎ একই ব্যান্ডের দুটি প্রতিষ্ঠান সমান অবস্থানে। ১৪০১+ এর মতো মান মানে প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশিত শেষ ব্যান্ডে আছে। Ulkaa Campus র্যাঙ্ক ঠিক সেভাবেই দেখায়, যেভাবে প্রকাশক ছেপেছে; ব্যান্ডকে কখনো একটি সংখ্যায় রূপান্তর করে না।
QS কী মাপে
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং তৈরি করে নয়টি নির্দেশকের ভিত্তিতে। একাডেমিক সুনাম ৩০ শতাংশ এবং নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনাম ১৫ শতাংশ; দুটিই আসে কিউএসের বার্ষিক জরিপ থেকে, যেখানে শিক্ষাবিদ ও স্নাতকদের নিয়োগকর্তারা মত দেন। শিক্ষকপ্রতি উদ্ধৃতি ২০ শতাংশ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১০ শতাংশ, আর কর্মসংস্থানের ফলাফল, আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক, বিদেশি শিক্ষকের অনুপাত, বিদেশি শিক্ষার্থীর অনুপাত ও টেকসই উন্নয়ন প্রতিটির ভার ৫ শতাংশ। কিউএস এগুলোকে পাঁচটি ভাগে সাজায়: গবেষণা ও আবিষ্কার, কর্মসংস্থান ও ফলাফল, শিখন অভিজ্ঞতা, বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা এবং টেকসই উন্নয়ন। এই ভার কিউএস তাদের পদ্ধতি-পাতায় ২০২৭ সংস্করণের জন্য যা দিয়েছে তা-ই; ২০২৪ সংস্করণ থেকে কিউএস এই নির্দেশক-সেট চালু করেছে। বাংলাদেশের পাঠকের জন্য দুটি কথা মনে রাখা দরকার। প্রথমত, মোট নম্বরের প্রায় অর্ধেক নির্ভর করে সুনামের জরিপের ওপর, তাই বিদেশের শিক্ষাবিদ ও নিয়োগকর্তাদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতি তার নিজের গবেষণার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকপ্রতি উদ্ধৃতি একটি অনুপাত, তাই শিক্ষার্থী অনুপাতে গবেষক কম এমন বড় প্রতিষ্ঠানকে একই মাপকাঠিতে ছোট ও গবেষণাকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করা হয়।
সারকথা
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বাংলাদেশের ১৩টি প্রতিষ্ঠান নথিভুক্ত। দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, =৬০০ অবস্থানে। ২০২৬ সংস্করণের তুলনায় ৩টি প্রতিষ্ঠান ওপরে উঠেছে এবং ৪টি একই জায়গায় আছে।
প্রকাশক কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস; তাদের পদ্ধতি-পাতা https://www.topuniversities.com/world-university-rankings/methodology। এখানে তালিকাটি রেফারেন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠানপ্রতি একটি র্যাঙ্ক আকারে দেওয়া; নম্বর, উপ-নম্বর ও পুরো বৈশ্বিক তালিকা প্রকাশকের। কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস-এর সঙ্গে Ulkaa Campus-এর কোনো সম্পর্ক নেই। ভর্তির সিদ্ধান্তে র্যাঙ্ক কেবল একটি উপাদান; বেশির ভাগ ভর্তিচ্ছুর জন্য বিষয়ের শক্তি, অবস্থান, কোন কোন প্রোগ্রাম আছে এবং প্রতিষ্ঠানের নিজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বেশি জরুরি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বাংলাদেশের কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে?
Ulkaa Campus-এর নথি অনুযায়ী কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বাংলাদেশের ১৩টি প্রতিষ্ঠান আছে (সরকারি ৮টি, বেসরকারি ৪টি ও অন্যান্য ধরনের ১টি)।
QS ২০২৭-এ বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
দেশের সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, =৬০০ অবস্থানে। এর পরের অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (৭১১-৭২০), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (৯০১-৯৫০) ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (১০০১-১২০০)।
QS ২০২৭-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্ক কত?
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান =৬০০; ২০২৬ সংস্করণে ছিল ৫৮৪।
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্ক করে?
কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডস তাদের পদ্ধতি ও ভার প্রকাশ্যে দেয়। সংক্ষেপে: নয়টি নির্দেশক, যার শীর্ষে একাডেমিক সুনাম (৩০%), শিক্ষকপ্রতি উদ্ধৃতি (২০%) ও নিয়োগকর্তাদের কাছে সুনাম (১৫%)। পুরো বিবরণ প্রকাশকের পদ্ধতি-পাতায় আছে।
২০২৬ সংস্করণের তুলনায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান কেমন বদলেছে?
দুই সংস্করণেই আছে এমন ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩টি ওপরের র্যাঙ্ক বা ব্যান্ডে উঠেছে, ৪টি একই অবস্থানে আছে এবং ৪টি নিচের ব্যান্ডে নেমেছে।
আরও দেখুন
সূত্র
- QS World University Rankings ২০২৭ (নতুন ট্যাবে খুলবে), QS Quacquarelli Symonds
উল্কা শুধু প্রকাশিত র্যাংক বা ব্যান্ড দেখায়। কিউএস ও টিএইচই-এর স্কোর ও টেবিল প্রকাশকদের কপিরাইট, তাই এখানে দেওয়া হয়নি।